FASHON
  • ছোটদের বড় উদ্ভাবন!

    সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে গেছে বজ্রপাতে নিহত মানুষের সংখ্যা। বজ্রপাত দিনে দিনে ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এই বজ্রপাতকেন্দ্রিক ভয় দূর করতে পারে একমাত্র বিজ্ঞান। প্রকল্পের মাধ্যমে সেটিই দেখাল সানোয়ারা ইসলাম বালক উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ২৩ মার্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ‘বিজ্ঞান মেলায় এ প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়।
    মেলা ঘুরে দেখা গেছে, দর্শকদের নজর কাড়ে ‘বজ্রপাত হতে পরিবেশ ও মানুষের জীবন রক্ষা’, ‘অটোমেটিক ইরিগেশন’, ‘গ্যাসজনিত দুর্ঘটনা থেকে বাড়িকে নিরাপদ রাখা’, ‘চিঠি আদান-প্রদানের হেলিকপ্টার’ ও ‘মোবাইল কন্ট্রোলিং রোবট’। দিনব্যাপী মেলায় ছিল আরও ৪৪টি প্রকল্প।
    বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির মোট ৮৫ জন শিক্ষার্থী এসব প্রকল্প প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মোহাম্মদ সাকিব ও আবুল হাসনাতের তৈরি ‘বজ্রপাত হতে পরিবেশ ও মানুষের জীবন রক্ষা’ প্রকল্পটি। তারা উপস্থাপন করে বজ্রপাতের পরিবাহী তৈরি করে মানুষের জীবন রক্ষা পদ্ধতি। আয়োজনে দ্বিতীয় পুরস্কার উঠে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহবুব হোসেন ও মোহাম্মদ তাহমীদ ইয়াসিরের হাতে। তাদের প্রকল্প ‘অটোমেটিক ইরিগেশন’ প্রকল্প। তারা উপস্থাপন করে একজন কৃষক কীভাবে মাঠে না গিয়েও ফসলের পরিচর্যা করতে পারবেন। তৃতীয় পুরস্কার পাওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাহাব আল মারুফ ও আরিয়ান তাসফিক উপস্থাপন করে গ্যাসজনিত দুর্ঘটনা হতে বাড়িকে নিরাপদ রাখার কৌশল।
    বিকেল পাঁচটায় মেলার সমাপনী আয়োজনে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে।
    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম। শিল্পপতি জাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার, সমাজসেবক সানোয়ারা ইসলাম, রাজনীতিবিদ নাজমুল হক ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন খালেদ।
    বক্তারা বলেন, ‘বিজ্ঞান ছাড়া একটি দেশ কখনোই এগিয়ে যেতে পারে না। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি বেশি হওয়া উচিত।’ পুরো আয়োজনের সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল মনসুর চৌধুরী ও সহকারী শিক্ষক অনুপম মজুমদার।

    সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে গেছে বজ্রপাতে নিহত মানুষের সংখ্যা। বজ্রপাত দিনে দিনে ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এই বজ্রপাতকেন্দ্রিক ভয় দূর করতে পারে একমাত্র বিজ্ঞান। প্রকল্পের মাধ্যমে সেটিই দেখাল সানোয়ারা ইসলাম বালক উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ২৩ মার্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ‘বিজ্ঞান মেলায় এ প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়।
    মেলা ঘুরে দেখা গেছে, দর্শকদের নজর কাড়ে ‘বজ্রপাত হতে পরিবেশ ও মানুষের জীবন রক্ষা’, ‘অটোমেটিক ইরিগেশন’, ‘গ্যাসজনিত দুর্ঘটনা থেকে বাড়িকে নিরাপদ রাখা’, ‘চিঠি আদান-প্রদানের হেলিকপ্টার’ ও ‘মোবাইল কন্ট্রোলিং রোবট’। দিনব্যাপী মেলায় ছিল আরও ৪৪টি প্রকল্প।
    বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির মোট ৮৫ জন শিক্ষার্থী এসব প্রকল্প প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মোহাম্মদ সাকিব ও আবুল হাসনাতের তৈরি ‘বজ্রপাত হতে পরিবেশ ও মানুষের জীবন রক্ষা’ প্রকল্পটি। তারা উপস্থাপন করে বজ্রপাতের পরিবাহী তৈরি করে মানুষের জীবন রক্ষা পদ্ধতি। আয়োজনে দ্বিতীয় পুরস্কার উঠে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহবুব হোসেন ও মোহাম্মদ তাহমীদ ইয়াসিরের হাতে। তাদের প্রকল্প ‘অটোমেটিক ইরিগেশন’ প্রকল্প। তারা উপস্থাপন করে একজন কৃষক কীভাবে মাঠে না গিয়েও ফসলের পরিচর্যা করতে পারবেন। তৃতীয় পুরস্কার পাওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাহাব আল মারুফ ও আরিয়ান তাসফিক উপস্থাপন করে গ্যাসজনিত দুর্ঘটনা হতে বাড়িকে নিরাপদ রাখার কৌশল।
    বিকেল পাঁচটায় মেলার সমাপনী আয়োজনে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে।
    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম। শিল্পপতি জাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার, সমাজসেবক সানোয়ারা ইসলাম, রাজনীতিবিদ নাজমুল হক ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন খালেদ।
    বক্তারা বলেন, ‘বিজ্ঞান ছাড়া একটি দেশ কখনোই এগিয়ে যেতে পারে না। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি বেশি হওয়া উচিত।’ পুরো আয়োজনের সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল মনসুর চৌধুরী ও সহকারী শিক্ষক অনুপম মজুমদার।

    সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে গেছে বজ্রপাতে নিহত মানুষের সংখ্যা। বজ্রপাত দিনে দিনে ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এই বজ্রপাতকেন্দ্রিক ভয় দূর করতে পারে একমাত্র বিজ্ঞান। প্রকল্পের মাধ্যমে সেটিই দেখাল সানোয়ারা ইসলাম বালক উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ২৩ মার্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ‘বিজ্ঞান মেলায় এ প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়।
    মেলা ঘুরে দেখা গেছে, দর্শকদের নজর কাড়ে ‘বজ্রপাত হতে পরিবেশ ও মানুষের জীবন রক্ষা’, ‘অটোমেটিক ইরিগেশন’, ‘গ্যাসজনিত দুর্ঘটনা থেকে বাড়িকে নিরাপদ রাখা’, ‘চিঠি আদান-প্রদানের হেলিকপ্টার’ ও ‘মোবাইল কন্ট্রোলিং রোবট’। দিনব্যাপী মেলায় ছিল আরও ৪৪টি প্রকল্প।
    বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির মোট ৮৫ জন শিক্ষার্থী এসব প্রকল্প প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মোহাম্মদ সাকিব ও আবুল হাসনাতের তৈরি ‘বজ্রপাত হতে পরিবেশ ও মানুষের জীবন রক্ষা’ প্রকল্পটি। তারা উপস্থাপন করে বজ্রপাতের পরিবাহী তৈরি করে মানুষের জীবন রক্ষা পদ্ধতি। আয়োজনে দ্বিতীয় পুরস্কার উঠে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহবুব হোসেন ও মোহাম্মদ তাহমীদ ইয়াসিরের হাতে। তাদের প্রকল্প ‘অটোমেটিক ইরিগেশন’ প্রকল্প। তারা উপস্থাপন করে একজন কৃষক কীভাবে মাঠে না গিয়েও ফসলের পরিচর্যা করতে পারবেন। তৃতীয় পুরস্কার পাওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাহাব আল মারুফ ও আরিয়ান তাসফিক উপস্থাপন করে গ্যাসজনিত দুর্ঘটনা হতে বাড়িকে নিরাপদ রাখার কৌশল।
    বিকেল পাঁচটায় মেলার সমাপনী আয়োজনে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে।
    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম। শিল্পপতি জাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার, সমাজসেবক সানোয়ারা ইসলাম, রাজনীতিবিদ নাজমুল হক ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন খালেদ।
    বক্তারা বলেন, ‘বিজ্ঞান ছাড়া একটি দেশ কখনোই এগিয়ে যেতে পারে না। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি বেশি হওয়া উচিত।’ পুরো আয়োজনের সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল মনসুর চৌধুরী ও সহকারী শিক্ষক অনুপম মজুমদার।


    Subscribe & Follow

    JOIN THE FAMILY!

    Subscribe and get the latest about us
    TRAVELS
    LIFESTYLE
    RECENT POST
    বোটক্সের বদলে
    19 January, 2018 7:02 pm
    আলোকচিত্র
    19 January, 2018 6:57 pm
    BANNER SPOT
    200*200
    SOLO PINE @ INSTRAGRAM
    FIND US ON FACEBOOK