FASHON
  • জিওমেট্রিক

    জ্যামিতিক মোটিফ আজকাল দেখা যাচ্ছে নানা অনুষঙ্গে। এক্সপেরিমেন্টও চলছে। ফলে লুকে আসছে বৈচিত্র্য

    বিভিন্ন অনুষঙ্গে এখন চলছে জিওমেট্রিক মোটিফের জয়জয়কার। ব্যাগ, পার্স, ওয়ালেট, নানা ধরনের গয়না, স্কার্ফ- সবকিছুতেই। এর বদৌলতে সাজপোশাকে যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা।
    ব্যাগ

    শুধু ট্রেন্ডি পোশাক আর স্টাইলিশ জুতায় এখন আর ‘ফ্যাশনেবল’ শব্দটা আটকে নেই। সুন্দর একটা ব্যাগও পুরো লুকে নিয়ে আসতে পারে চমক। পোশাক-আশাক, সাজে যোগ করতে পারে বাড়তি সৌন্দর্য- বলছিলেন আড়ংয়ের ব্যাগের ডিজাইনার শাহীনা রাব্বী।
    হাতব্যাগের ব্যবহার বহু পুরোনো। ষোড়শ শতকের দিকে এর চল হয় ব্যাপকভাবে। সে সময় ছোট ছোট ব্যাগ ব্যবহার করা হতো মুদ্রা রাখার জন্য। এখনকার ব্যাগ আকৃতিতে খানিকটা বড়, কিন্তু হাতাটা ছোট হয়ে থাকে। খানিকটা গোলাকার চৌকোনা, পুরো চৌকোনা, ত্রিকোনাসহ নানা শেপের ব্যাগ এখন বেশ চলে। এসব ব্যাগের হাতলে বৈচিত্র্য থাকছে। পুরো গোলাকার, চারকোনা বা ত্রিকোনা হাতলও সমান জনপ্রিয়। ফ্যাশনে ক্লাচ ব্যাগ এখন খুব চলছে। চারকোনা, ডিম্বাকৃতি, গোলাকৃতি, পানপাতার আকৃতি, তিন কোনা শেপের নানা ডিজাইনের। এ ধরনের ব্যাগ কিছুটা ডুয়েল ভার্সনে কাজ করে। হাতে করে নেয়া ছাড়াও সরু চেইন দিয়ে কাঁধেও ঝোলানো যায়। ব্যাগের উপরেও জিওমেট্রিক মোটিফের কাজ থাকছে। ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, গোলাকৃতি- সবকিছু দিয়ে উপরের ফ্যাব্রিকটা সাজানো। এ ছাড়া কোনো কোনো ব্যাগের কাঠামো ঢাকা থাকে নরম পালকে, কোনোটায় মেটাল বা লেদার, আবার কোনোটিতে স্যাটিনের কাপড়ের নকশাদার আবরণ। তবে এখন জনপ্রিয় ছোট বাক্সের মতো দেখতে ক্লাচ ব্যাগ আর চৌকাকৃতির লেদার স্লিম ব্যাগ।
    বক্স ব্যাগ মূলত শক্ত একটা বক্স। মেকআপ আর নানা ধরনের ওষুধসামগ্রী রাখার জন্য এটা কাজে লাগে। হাতল খানিকটা ছোট। বেশির ভাগ ব্যাগের উপরই থাকে কালো সোয়েড বা মখমলে সোনালি কাজ। এ ছাড়া চকলেট, বাদামি রঙগুলো বেশি চলে। এখন উপরে রাবারের মতো নতুন নকশার কিছু ব্যাগ এসেছে। সামনে থাকছে লক সিস্টেম। চার কোনা গড়নের।
    ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, গোলাকার এবং অর্ধবৃত্তাকার ঝোলা ব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে। উপকরণ হিসেবে এগুলোয় আছে পাট, চট, সুতা ও বিভিন্ন ধরনের কাপড়। পুতুল, ফুল, লতাপাতা ও নানা জ্যামিতিক মোটিফ ব্যবহৃত হয় এসব ব্যাগে। বাটিক, খাদি আর সুতি কাপড়ের ব্যাগগুলোয় নকশিকাঁথা, স্ক্রিন প্রিন্ট, হাতের কাজ ছাড়াও আলাদা করে ফুল, পাথর, চুমকি ও পুতুলের মোটিফ ব্যবহার করা হয়েছে। ছোট, বড় ও মাঝারি- এই তিন রকমের ঝোলা ব্যাগ পাওয়া যায়।
    গয়না

    জিওমেট্রিক নানা শেপের গয়না জনপ্রিয় এখন। ফ্যাশন হাউজগুলোতে পিতল, ব্রোঞ্জ, অক্সিডাইজড পার্ল প্রভৃতি ম্যাটেরিয়ালে তৈরি হয়েছে এসব অলংকার। তিন কোনা ঝাপটা শেপের কানের দুল, চার কোনা রিং স্টাইলে বেল্ট বা ওভাল শেপের কানের ঝুমকো- সবই এখন ফ্যাশন। এসব গয়নায় রঙিন সুতা, ডোকরা ব্যবহারে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। সেই সঙ্গে থাকছে বিভিন্ন জিওমেট্রিক শেপের রঙিন ছোট-বড় স্টোনের কারুকাজ। সুতার তৈরি মালায় এসব ত্রিকোনা বা চৌকোনা স্টোন ছোট-বড় সিঙ্গেল লকেট হিসেবে গেঁথে দেয়া হচ্ছে। বাইরের দেশ থেকে আনা নানা শেপের বিডসের তৈরি গয়না এখন বেশ জনপ্রিয়। এ ছাড়া রয়েছে গোল্ড প্লেটেড রুপার তৈরি গয়না। গলা ও কানের সেট, চুড়ি, ঝোলানো দুল, আংটি, নূপুর- সবই পাওয়া যায় যেকোনো শেপে। গয়নার ডিজাইন নিয়ে বিপ্লব সাহা বলেন, ‘রাবার, প্লাস্টিক, পুঁতি, চামড়া, রিবনসহ নানা রকম ধাতু ব্যবহার করে যেমন গয়না তৈরি হচ্ছে, ঠিক তেমনি গয়নার শেপ নিয়েও নানা নিরীক্ষা হচ্ছে। তবে গয়নার নকশায় যত পরিবর্তন আসুক, হালকা ধাঁচের গয়না এখনো সুন্দর। পরতে আরাম। সেই সঙ্গে ক্যারি করতেও কষ্ট হয় না। চুড়ি হতে পারে চৌকোনা বা খানিকটা ওভাল শেপের আর কানের দুলও থাকতে পারে ষড়ভুজ আকৃতির। গয়না নিয়ে যে এক্সপেরিমেন্ট চলছে, তা চলতেই থাকবে।’

     নাজমুল হাসান
    মডেল: আইশা
    মেকওভার: পারসোনা
    ওয়্যারড্রোব ও সানগ্লাস: সিকোসো
    জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ: আরবান ট্রুথ
    ছবি: তানভীর খান


    Subscribe & Follow

    JOIN THE FAMILY!

    Subscribe and get the latest about us
    TRAVELS
    LIFESTYLE
    RECENT POST
    জিওমেট্রিক
    23 July, 2017 10:30 pm
    একঝলক
    23 July, 2017 5:39 pm
    BANNER SPOT
    200*200
    SOLO PINE @ INSTRAGRAM
    FIND US ON FACEBOOK