FASHON
  • আলাপন I প্রতিজ্ঞা করিনি যে অন্য কোনো গান করবো না - অদিতি মহসিন

    সমকালীন সংগীতাঙ্গনে অদিতি মহসিন বেশ প্রসিদ্ধ একটি নাম। সেটা তাঁর স্বতন্ত্র কণ্ঠপ্রতিভার গুণেই। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আহসান পাভেল


    ক্যানভাস: অদিতি মহসিন থেকে শিল্পী অদিতি মহসিন। এই রূপান্তরের পেছনে সাধনাপর্বটা কেমন ছিল?
    অদিতি মহসিন: পরিবারে শিল্পচর্চার একটি আবহ ছিল। তার একটা প্রভাব অবশ্যই ছিল। মায়ের শখ ছিল মেয়ে গান শিখবে। বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে ভর্তি হয়েছিলাম ছোটবেলায়। তারপর কিছুটা শিখেছি, ছেড়ে দিয়েছি আবার শিখেছি। পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে যেভাবে এগিয়ে নেয়া যায়। তারপর হঠাৎ করেই বৃত্তি পেলাম, ইন্ডিয়ান গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ। সেটা বিশ্বভারতীতে পড়ার জন্য, শান্তিনিকেতনে। বলা যায়, সেখান থেকেই যাত্রা শুরু। শান্তিনিকেতনে যাওয়ার পরে ছয়-সাতটা বছর ওখানে কেটেছে। রবীন্দ্রনাথকে তত দিনে আমি যেভাবে ধারণ করেছি, মনে হলো- না, গানটা আমাকে গাইতেই হবে। সেটা শিল্পী হবার জন্য কি না জানি না।
    ক্যানভাস: শৈশবে উচ্চাঙ্গসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, লোকগান- সব শাখায় বিচরণের পর থিতু হলেন রবীন্দ্রসংগীতে। কেন?
    অদিতি মহসিন: ওই যে, বিশ্বভারতীতে যাওয়ার পরে। বাফায় যখন ছিলাম, তখন সবই শিখতে হয়েছে। তখন তো ভাবিইনি, পুরোপুরি গান করবো। যদিও বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে আমি ফার্স্ট হয়েছিলাম এবং আমার জন্য খুবই বিস্ময়কর ব্যাপার ছিল যে ফার্স্ট হয়ে গেলাম! সেটা অনুপ্রেরণা দিয়েছিল। যখন বিশ্বভারতীতে গেলাম, তখন তো রবীন্দ্রনাথকেই বেছে নিয়েছিলাম। পরবর্তীকালে আমি হয়তো অন্যধারার গান গাইতে পারতাম, কিন্তু সেদিকে ঠিক যেতে চাইনি।
    ক্যানভাস: সামনে অন্যধারার গানে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আছে?
    অদিতি মহসিন: আমার কিন্তু ইতিমধ্যে তিন কবির (রজনীকান্ত সেন, অতুল প্রসাদ সেন, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়) গানের একটা অ্যালবাম বের হয়েছে। তাও বেশ কয়েক বছর আগে। আরও অনুরোধ অনেকেই করেন, অন্য কিছু গান করেন। আপনার কণ্ঠের উপযোগী। একেবারেই প্রতিজ্ঞা করিনি যে অন্য কোনো গান করবো না। ভালো গান হলে সব ধরনের গানই গাইবো।
    ক্যানভাস: বিশ্বভারতীতে নিশ্চয়ই অনেক স্মৃতি আছে। সেখানকার কোন ব্যাপারগুলো মিস করেন?
    অদিতি মহসিন: সবচেয়ে বেশি মিস করি তার পরিবেশ। বিশ্বভারতীর গাছপালা ঘেরা যে আশ্রমজীবন, সেখানে কোনো চাকচিক্য নেই, জীবনের কোনো বাহুল্য নেই। আমাদের শুধু ছিল ভোরবেলা উঠে ক্লাসে যাওয়া তারপর হোস্টেলে ফেরা। এর বাইরে বড়জোর সপ্তাহে এক দিন সিনেমা দেখতে যাওয়া। কিংবা কোপাই নদীর ধারে বেড়াতে যাওয়া। এটাই ছিল আমাদের জীবন। কিন্তু তার মধ্যেও এত স্মৃতিময়, এখনো আমরা এত স্মৃতিকাতর, সেটা আমার মনে হয় পরিবেশের কারণে। একটা ঘরোয়া আমেজের মধ্যে গান শেখা, সারাটা দিন গানের ভেতর ডুবে থাকা। সকালে ক্লাস, বিকেলে হয়তো রিহার্সেল বা সংগত করতে যাওয়া। সন্ধ্যাবেলা কোনো না কোনো প্রোগ্রাম থাকতো। মহড়া চলছে সংগীত ভবনে। এই যে সারা দিন একটা গানের আবহে থাকা, সেটা আমার জীবনে স্মৃতিময় হয়ে আছে।
    ক্যানভাস: বিশ্বভারতী থেকে সংগীতে পড়াশোনার পর্ব শেষে ছায়ানটে শিক্ষকতা করলেন প্রায় দশ বছর। তারপর বেশি মনোযোগী হলেন গান গাওয়ায়। শিক্ষকতায় কি ফিরবেন কখনো?
    অদিতি মহসিন: হ্যাঁ, ২০১০ সাল পর্যন্ত আমি ছায়ানটে শিখিয়েছি। তারপর গত সাত বছর কোথাওই শেখাই না। যদিও অনেকে অনুরোধ করেন শেখানোর জন্য। আজকাল ভাবছিও, কিছু কিছু শেখানো প্রয়োজন। কিন্তু আমি গান করতেই বেশি ভালোবাসি, শেখানোর চেয়ে।
    ক্যানভাস: দুই বাংলাতেই আপনার শ্রোতা-ভক্ত আছে। কাঁটাতারের এপার আর ওপারের শ্রোতা-রুচিতে কোনো তফাত খুঁজে পান?
    অদিতি মহসিন: আসলে একে বাঙালিসমাজ বলা যেতে পারে, কাঁটাতার তো ভৌগোলিক। কিন্তু আমাদের সংস্কৃতি, শিল্পচর্চা, রুচি, চেতনা- সবই মিলেমিশে একাকার। তবে হ্যাঁ, একটা জিনিস আমাকে বলতেই হবে, যেটা পশ্চিম বাংলায় আছে, গানের ক্ষেত্রে তাঁরা এখনো অনেকটা সচল রয়েছে। আমরা যেন কোথাও একটু স্থবির হয়ে যাচ্ছি। আমি জানি না কেন। কিন্তু এই পরিবেশটা ছিল না। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে গান, নাটক, চলচ্চিত্র, যাত্রা- সবকিছু মিলিয়ে এই দেশে শিল্পচর্চার একটি আবহ ভীষণভাবে ছিল। এমনকি পশ্চিম বাংলার থেকেও বেশি ছিল। কেননা, পশ্চিম বাংলায় অন্যান্য সংস্কৃতির চাপটাও আছে। যেমন ধরুন, মুম্বাইয়ের সংস্কৃতির চাপ। তবে আমাদের এখানেও যখন এগুলো ভীষণভাবে চেপে বসেছে, তখন আমি দেখি পশ্চিম বাংলায় এখনো প্রচুর অনুষ্ঠান এখনো হচ্ছে। নানা ধরনের গান হচ্ছে, নানা ধরনের গানই লোকেরা শুনতে যাচ্ছেন।
    ক্যানভাস: দুই দেশের প্রসঙ্গ যখন এলো, একটা বিষয়ে জানতে চাইছি। বাংলাদেশে রবীন্দ্রসংগীত বহুল চর্চিত। নজরুলসংগীতও। পশ্চিমবঙ্গে নজরুলসংগীতের অবস্থান কেমন?
    অদিতি মহসিন: কম, অনেক কম। আমাদের চেয়ে কম। আমাদের এখানে তো রবীন্দ্রনাথের প্রচুর চর্চা হচ্ছে। আমি বলবো, অনেকাংশে নজরুলের থেকেও বেশি হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামের চর্চাটা সেভাবে নেই বলা চলে।
    ক্যানভাস: রবীন্দ্রসংগীতে যন্ত্রের ব্যবহারে অনেকেই নিরীক্ষা করছেন ইদানীং। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?
    অদিতি মহসিন: নিরীক্ষা বেশ ক’বছর ধরেই হচ্ছে। যেটা জানবেন হয়তো, বিশ্বভারতীর একটি কপিরাইট আইন ছিল। সেটা শেষ হওয়ার পর থেকেই এই নিরীক্ষাধর্মী কাজ হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে। এটা লালনের গান নিয়েও হচ্ছে, আমাদের যে ফোক, সেগুলো নিয়ে ভীষণভাবে হচ্ছে। এবং পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীরাও সেসব করছেন। কিন্তু আমি রবীন্দ্রনাথের গানটা নিয়ে অন্তত বলবো- নিরীক্ষা হতেই পারে। ধরুন, রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় যেভাবে রবীন্দ্রসংগীতটা গাওয়া হতো, আজকে তো আমরা সেভাবে গাই না। অনেক যন্ত্র-অনুষঙ্গের পরিবর্তন হয়েছে। কি-বোর্ড এসেছে, গিটার এসেছে- সবই এসেছে, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের গানটাকে গান বলে চিনতে হবে। সেটাকে যদি আমি আমার গান বানিয়ে ফেলি, তাহলে চলবে না। রবীন্দ্রনাথের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি অটুট রেখে নিরীক্ষা করা যেতে পারে।
    ক্যানভাস: রবীন্দ্রসংগীত চর্চা যে তবলা আর হারমোনিয়ামনির্ভর হয়ে আছে দীর্ঘদিন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও কি তাতে অভ্যস্ত ছিলেন?
    অদিতি মহসিন: ছোট বয়সে তো তাঁদের বাড়িতে তাঁর দাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর পিয়ানো বাজাতেন। পিয়ানোর চর্চা ঠাকুরবাড়িতে ছিল। রীতিমতো বড় বড় ওস্তাদ আসতেন। ক্ল্যাসিক্যাল ওস্তাদরা আসতেন। সেগুলো শুনে শুনে তিনি বড় হয়েছেন। তারপর তিনি যখন গান রচনা করতে শুরু করেন, মানুষকে দিয়ে গাওয়াতে চেয়েছেন, তখন তিনি এসরাজ ব্যবহার করেছেন। তাঁর প্রিয় যন্ত্র ছিল, তাঁরই তৈরি করা। এসরাজ, তবলা- এগুলো নিয়েই কিন্তু তিনি গান গাইয়েছেন। তারপরে তো যুগের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে। শান্তিনিকেতনেও এখন শুধু এসরাজ আর তবলায় গান হয় না। সেখানেও বিভিন্ন যন্ত্রের প্রবেশ ঘটেছে।
    ক্যানভাস: ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। সাম্প্রদায়িক সংঘাত সংগীতচর্চায় কোনো প্রভাব কি ফেলছে?
    অদিতি মহসিন: দেখুন, দেশের যেকোনো সংকটের প্রভাব শিল্প-সংস্কৃতির ওপর পড়ে। শুধু শিল্প-সংস্কৃতি নয়, সব ক্ষেত্রেই পড়ে। তবে শিল্প-সংস্কৃতিতে খুব বেশি করে পড়ে। দেশ যখন স্বস্তিতে থাকে, তখন শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বাড়ে। এবং এটাও বিশ্বাস করি যে এই স্বস্তিটা ফিরিয়ে আনার জন্য শিল্প-সংস্কৃতির চর্চাটা তরুণ প্রজন্মের আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
    ক্যানভাস: নতুন প্রজন্মের প্রতি অনেকের অভিযোগ, তারা দ্রুত খ্যাতি পেতে চায়। শিল্পী হওয়ার জন্য যে সাধনা দরকার, সেটা তাদের ঠিকঠাকভাবে হয় না।
    অদিতি মহসিন: সৃজনশীল বাংলা গানের ব্যাপারে তরুণ প্রজন্মের উন্নাসিকতা আছে। বাংলা গানের মূল ধারার ব্যাপারে আমরাই-বা তাদের কতোটা আগ্রহী করে তুলছি, তা সংশয়ের ব্যাপার। দ্বিতীয়ত, নতুন ছেলেমেয়েরা নিষ্ঠার সঙ্গে সংগীতকে নিচ্ছে বলে মনে হয় না। আমি দেখতে পাচ্ছি, তাদের মাঝে দ্রুত সেলিব্রিটি হওয়া, মিডিয়াতে বারেবারে আসা, পত্রপত্রিকায় কিংবা টেলিভিশনে এসে হঠাৎ করে শিল্পী হয়ে ওঠার প্রবণতা- খুবই দেখা যাচ্ছে।
    ক্যানভাস: সামাজিক পরিবর্তনও তো এর দায়মুক্ত নয়। অতীতে মফস্বল শহরে গানের ওস্তাদ দেখা যেত। সকাল বা সন্ধ্যায় কোনো গলিপথ দিয়ে গেলেও গানের রেওয়াজ কানে ভেসে আসতো...
    অদিতি মহসিন: হ্যাঁ, এগুলো মফস্বল শহরের খুবই পরিচিত দৃশ্য ছিল, তাই না? আমরা যদিও ঢাকায় জন্মেছি, বড় হয়েছি। কিন্তু আমি তো অনেক জেলা শহরে গিয়েছি ওয়াহিদুল হক, সন্জীদা খাতুনের সঙ্গে, তারপর সম্মিলন পরিষদের কাজে, প্রশিক্ষণের কাজে। আমি দেখেছি যে সেখানে প্রতিটি জেলা শহরে কিছু গুরু ছিলেন। যাঁরা কোনো টাকাপয়সার মোহে নয়, কোনো কিছুর আশায় নয়, তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গান শেখাতেন। তাঁরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। সেখানে ছেলেমেয়েদের যুক্ত করতেন। সেই সংস্কৃতি দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে।
    ক্যানভাস: এর কারণ কী বলে আপনার মনে হয়?
    অদিতি মহসিন: আমার মনে হয় কি জানেন, কোনো জাতি যদি গুণী মানুষের কদর না করে, তাহলে সেই জাতিতে গুণীর জন্ম হয় না। এটা আমি বিশ্বাস করি। ধরুন, আমরা ছোটবেলায় কোনো শিল্পীকে দেখেই তো গান শিখবো, গাইবো- এই উৎসাহটা তো পেয়েছি। কিছু শিল্পীকে দেখে মনে হয়েছে, আচ্ছা, উনি এভাবে গাইছেন; আমিও এভাবে গাইতে চেষ্টা করি। আমার তো মনে হয় না এখন গুণী মানুষকে সামনে তুলে ধরার ব্যাপারটি ঠিকঠাকভাবে হচ্ছে। গুণীকে যদি কদর না করেন, তাহলে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা তো একজন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, একজন অদিতি মহসিন হতে চাইবে না। তারা তো বলবে, আচ্ছা গান গেয়ে কী হবে? বরং আমি যদি মিডিয়াতে ঘোরাফেরা করি, আমার চেহারা মানুষ চিনবে। এটাই একটা প্রাপ্তির ব্যাপার হয়ে ওঠে। গুণীর কদরটা সামাজিক পর্যায়ে, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এবং পারিবারিকভাবেও থাকা উচিত।
    ক্যানভাস: আপনার প্রিয় শিল্পী?
    অদিতি মহসিন: আমি তো সব ধরনের গান শুনি। যে কারণে আমার অনেক প্রিয় শিল্পী আছেন। ক্ল্যাসিক্যালে শোভা গুপ্ত। বেগম আখতারের গজল আমার খুবই পছন্দ। রবীন্দ্রনাথের গানে অনেকেই আছেন- কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার গুরু এবং প্রিয় শিল্পী। তারপর আছেন নীলিমা সেন, সুবিনয় রায়- তাঁরা আমার প্রিয় শিল্পী। বাংলা গানের অন্যান্য ধারাতেও প্রিয় অনেক শিল্পী আছেন, কতজনের নাম বলবো (হাসি)!
    ক্যানভাস: রবীন্দ্রনাথের গানের বিভিন্ন ধারার মধ্যে আপনি কোন ধরনের গানে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
    অদিতি মহসিন: বর্ষার গান আমার সবচেয়ে প্রিয়। প্রেমের গানও গাইতে ভালোবাসি। প্রার্থনার গান পছন্দ করি।
    ক্যানভাস: সব সময় আপনাকে শাড়িতেই দেখা যায়। কোন ধরনের শাড়ি পছন্দ?
    অদিতি মহসিন: শাড়ি আমার সবচেয়ে প্রিয় পোশাক। আমার মনে হয়, বাঙালি নারীকে শাড়ির চেয়ে ভালো আর কিছুতে মানায় না। দেশি শাড়ির মধ্যে জামদানিটা খুব ভালোবাসি। শীতের সময় আমি রাজশাহী সিল্ক, তসর পরি।
    ক্যানভাস: কীভাবে সাজতে ভালো লাগে?
    অদিতি মহসিন: সাজের ব্যাপারে পরিমিতিবোধে বিশ্বাসী। শাড়ির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ছোট টিপ পরি। গলায় স্টোন বা মেটালের নেকলেস থাকে। লিপস্টিক দিই। আমি এইটুকুনই মাথায় রাখি যে সাজগোজ একজন মানুষের ব্যক্তিত্বকে প্রকাশ করে। আমি মানুষের কাছে পরিচিত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী হিসেবে। আমার পোশাক-আশাক সবটাতে আমি সেই পরিচয়টাই ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করি।

    ছবি সৌজন্য : অদিতি মহসিন


    Subscribe & Follow

    JOIN THE FAMILY!

    Subscribe and get the latest about us
    TRAVELS
    LIFESTYLE
    RECENT POST
    ওজন কমাতে টেকার
    15 December, 2017 3:35 pm
    BANNER SPOT
    200*200
    SOLO PINE @ INSTRAGRAM
    FIND US ON FACEBOOK