FASHON
  • ফুড বেনিফিটস I স্বাস্থ্যকর পেঁপে

    সুস্বাদু ও রসালো ফল পাকা পেঁপে। প্রায় সারা বছর এটি পাওয়া যায় হাতের নাগালে। দামেও সাশ্রয়ী। অন্যদিকে কাঁচা অবস্থায় এটি খাওয়া যায় সবজি হিসেবে, কিংবা রান্না বাদেই খাওয়া যায়। এর রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। পাকা পেঁপেতে আছে প্রচুর মিনারেল, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন। ১০০ গ্রাম পাকা পেঁপেতে আছে ০.৬ গ্রাম প্রোটিন, ০.১ গ্রাম ফ্যাট, ০.৫ গ্রাম মিনারেল, ০.৮ গ্রাম ফাইবার, ৭.২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩২ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৫৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ৬.০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৬৯ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ০.৫ মিলিগ্রাম আয়রন।
    পেঁপেমাত্রই কোষ্ঠকাঠিন্যের মহৌষধ। কাঁচা পেঁপে এবং কাঁচা পেঁপের বিচির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-অ্যামোবিক এবং অ্যান্টি-প্যারাসিটিক উপাদান, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার সমাধানে সক্ষম। এ ছাড়া হজমের সমস্যা, বুক জ্বালাপোড়া, গ্যাসের সমস্যা, পেটে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা সমাধানেও পেঁপে উপকারী।
    পেঁপেতে থাকে প্রচুর পরিমাণ পেপসিন। এই পেপসিন হজমে সাহায্য করে। এতে পেপেইন নামক হজমকারী দ্রব্য থাকে প্রচুর। অজীর্ণ, কৃমি সংক্রমণ, আলসার, ত্বকে ঘা, কিডনি ও ক্যানসার নিরাময়ে কাজ করে।
    এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ, সি ও ই। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। ভিটামিন এ চোখের জন্য খুব উপকারী।
    চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। কারণ এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।
    ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও কপার এতে রয়েছে। নিয়মিত পেঁপে খেলে হাড় মজবুত হয়, ব্যথা কমে।
    প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত, যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। পেঁপেতে এই উপাদানও রয়েছে।
    কাঁচা পেঁপেতে রয়েছে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম। এই উপাদান প্রোটিন হজমে সহায়তা করে। এতে রয়েছে যথেষ্ট অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনোক্সিড, যা দেহে ক্যানসারের কোষ তৈরিতে বাধা দেয়।
    পেঁপে খেলে অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত হয়। যাদের মাসিকের সমস্যা আছে, তারা নিয়মিত পেঁপে খেতে পারেন।
    এতে থাকা ফাইবার, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ধমনিতে কোলেস্টেরল জমতে বাধা দেয়। ফলে হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকে।
    পাকা পেঁপে কালো দাগ সারায়। এক টুকরো পাকা পেঁপে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ভালো করে ঘষে দিন। আধা ঘণ্টা রাখুন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এভাবে করতে থাকলে একসময় কালো দাগ দূর হবে।
    এর প্যাপিন মরা কোষ সরিয়ে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে তোলে।
    কাঁচা ও পাকা- দুই পেঁপেই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। কেবল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নয়, সৌন্দর্যরক্ষায়ও এটি নিয়মিত খাওয়া দরকার।

     লাইফস্টাইল ডেস্ক
    ছবি: ইন্টারনেট


    Subscribe & Follow

    JOIN THE FAMILY!

    Subscribe and get the latest about us
    TRAVELS
    LIFESTYLE
    RECENT POST
    ওজন কমাতে টেকার
    15 December, 2017 4:00 pm
    BANNER SPOT
    200*200
    SOLO PINE @ INSTRAGRAM
    FIND US ON FACEBOOK