FASHON
  • ফিচার I মিনিটেই...

    লুকের তাৎক্ষণিক বদল। একঘেয়েমি কাটাতে। সামান্যতম সময়ে

    আপাদমস্তক মেকওভার নয়, যেকোনো লুকের একঘেয়েমি কাটাতে সামান্য সাজবদলই যথেষ্ট। তবে তা যথাযথ হওয়া চাই। কঠিন মনে হচ্ছে? সাহায্যের জন্য রইলো সেরা কৌশলগুলো।
    ঠোঁটরঙের রদবদল
    নির্দিষ্ট কোনো লুক ফুটিয়ে তুলতে লিপস্টিক দারুণ। ক্ল্যাসিক রেড লিপ যেমন প্রত্যয়ের পরিচায়ক, তেমনি গোলাপি ঠোঁটে প্রকাশ পায় নারীর প্লেফুল এবং ফ্লার্টি দিকটা। প্লাম লিপস আকর্ষণীয় আর ন্যুড শেডগুলো চেহারায় দেয় সজীব সতেজ উজ্জ্বল আভা। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, লিপস্টিকের বদল মিনিট মেকওভারের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিগুলোর একটি। শুধু রঙের রদবদলই নয়, ফর্মুলার হেরফেরেও পাল্টে যায় চেহারা। যেমন কেউ খুব ভারী লিপস্টিকে অভ্যস্ত হয়ে থাকলে হঠাৎ শিয়ার কিংবা স্টেইন ফর্মুলার লিপ প্রডাক্ট ব্যবহারে তার লুক বদলাতে বাধ্য। চটজলদি ইনস্টা গ্ল্যাম লুকের জন্য উজ্জ্বল পপিং লিপস্টেইন পরে নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে স্কিন টোনের সঙ্গে মানানসই ব্রাইট পিঙ্ক রঙ বেছে নিতে হবে প্রথমে। ঠোঁটে বেজ কোট হিসেবে বসবে এটা। টপ কোট হিসেবে পিঙ্ক স্টেইন এর চমৎকার সঙ্গী। যারা ম্যাটে স্বচ্ছন্দ, তারা ব্লু টিন্টেড ম্যাট লিপস্টিক বেছে নিতে পারেন। ডিপ রঙগুলোয় চেহারা চটজলদি চটকদার হয়ে ওঠে। তবে মিনিমাল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে চাইলে টিস্যু দিয়ে চেপে সামান্য হালকা করে নিতে পারেন টেক্সচার।
    ডার্ক দ্য আর্চ
    শক্তিশালী আইব্রাও চেহারাকে ডিফাইন করতে সাহায্য করে। এক জোড়া সুন্দর শেপের আইব্রাও মুখের যথাযথ গড়ন তৈরি করে। যার সুস্পষ্ট প্রভাব দেখা যায় চেহারায়। এতে বয়সও কমে আসে অনেকখানি। ব্রাও শেপিংয়ে সেলফ শার্পেনিং পেন্সিলগুলো চমৎকার কাজ করে। এ ক্ষেত্রে ন্যাচারাল হেয়ার কালারের চেয়ে এক থেকে দুই শেড হালকা রঙের পেন্সিল বেছে নেয়া ভালো। আর প্রক্রিয়া তো একদম সহজ। প্রথমে ব্রাশ দিয়ে আপওয়ার্ড আউটার মোশনে আঁচড়ে নেয়া চাই আইব্রাও, একদম কপালের টেম্পল বরাবর। তারপর চেহারার সঙ্গে মানিয়ে যায় এমন আকৃতি দিতে হবে একে। পেন্সিল দিয়ে ছোট আপওয়ার্ড স্ট্রোকে ভরাট করে নেয়া চাই ব্রাও। তারপর মাসকারা ওয়ান্ডের মতো দেখতে স্পুলি ব্রাশ দিয়ে আঁচড়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। সবশেষে স্বচ্ছ মাসকারা দিয়ে স্টে করে নিলেই চলবে।
    পনি প্রিপারেশন
    ঝুঁটি ঝামেলামুক্ত এবং চটজলদি হেয়ারস্টাইল। হরেক রকম স্টাইলে বেঁধে নেয়া যায় বলে লুকে বৈচিত্র্য আনতেও অনন্য। ব্রেইড আপ, টুইস্ট ব্যাক, ইনসাইড আউট ফ্লিপড, টপ টেক্সচারড কিংবা লো সাইড পনিটেইল- নিমেষেই বদলে দেবে চেহারা। সঙ্গে সামান্য অ্যাকসেসরিজ আটপৌরে হেয়ারস্টাইলে যোগ করবে অনন্যতা। হেডব্যান্ড, বারেট কিংবা নানা স্টাইলের ফিতা ব্যবহার হতে পারে সাজে।
    ফ্লিপ ইট
    সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। মিনিটের অর্ধেকও লাগে না এতে। কিন্তু ফলটা দারুণ। চোখে পড়বেই। সাধারণত যে পাশে সিঁথিতে অভ্যস্ত, ঠিক অন্য পাশে সিঁথিটা করে নিতে হবে। অথবা মাথার মাঝ বরাবর একদম সটান সোজা সিঁথি টেনে নিলেও অনেকটাই পরিবর্তন আসবে লুকে। গ্যারান্টেড!
    ভলিউম বুস্ট
    লুক পরিবর্তনের আরেকটি কার্যকর উপায়। চুলে বাড়তি ভলিউম তৈরিতে টিজিং চমৎকার। এতে চেহারা পায় ডিফাইনিং ইফেক্ট। মাথার পাশের চুলগুলো টিজ করে নিলে লম্বা চেহারা অনেকটাই গোলগাল দেখায়। ঠিক একইভাবে যারা গোল চেহারাকে লম্বাটে দেখাতে চান, তারা ক্রাউনের অংশটা টিজ করে নিলেই চলবে। এর ফলে চিকবোন আর জ-লাইনও অনেক বেশি লক্ষণীয় হয়ে ওঠে।

     জাহেরা শিরীন
    মডেল: মাহি
    মেকওভার: পারসোনা
    ছবি: তানভীর খান


    Subscribe & Follow

    JOIN THE FAMILY!

    Subscribe and get the latest about us
    TRAVELS
    LIFESTYLE
    RECENT POST
    ওজন কমাতে টেকার
    15 December, 2017 3:35 pm
    BANNER SPOT
    200*200
    SOLO PINE @ INSTRAGRAM
    FIND US ON FACEBOOK