FASHON
  • ব্লগার’স ডায়েরি I মিনিমালিজম ইন স্ট্রিট

    মিনিমালিজম নিয়ে মাতামাতি চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। বোঝা যাচ্ছে, খুব জলদি ট্রেন্ড থেকে হটছে না এর নাম। বহুমুখী এবং খুব জটিল না হওয়ায় মিনিমাল স্টাইল হয়ে উঠেছে আভিজাত্যের অংশ। যার সৌন্দর্য এড়ানো মুশকিল। মেনে নিতেই হবে, ছেলেদের স্টাইল স্টেটমেন্ট নিয়ে সম্প্রতি অনেক রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সেসবের মধ্য থেকে সবচেয়ে লক্ষণীয়ভাবে উঠে এসেছে স্ট্রিট স্টাইল। ক্যাজুয়াল ড্রেসিং উপস্থাপনযোগ্য নয় স্ট্রিটওয়্যার হিসেবে। হিপহপ, পাঙ্ক আর অ্যাকশন স্পোর্টসের মতো একদম তারুণ্যসম্মত সাবকালচার থেকে যার জন্ম।

    আজকাল আমাদের দেশের অর্ধেকের বেশি তরুণ ড্রেসিং স্টাইল বেছে নেয়ার সময় ঝুঁকছেন স্ট্রিটওয়্যারের দিকে। প্রথমত, ভীষণ আরামদায়ক আর সহজেই পরিধানযোগ্য এগুলো। দ্বিতীয়ত, পকেটের ওপর খুব বেশি চাপ পড়বে না পোশাকগুলো কিনতে গেলে। স্ট্রিটস্টাইলের মিনিমালিজম মূলত মিনিমাল স্টাইলের সৌন্দর্যে বেশি আলো ফেলে। ফলে এ ধরনের লুক ফরমাল হিসেবে যেমন মানানসই, উপযুক্ত আটপৌরে পোশাক হিসেবেও। স্পোর্টি ফিচার, যেমন- জিপ আর এলংগেটেড শিলুয়েটের স্লিম ফিট জগার্স আর জার্সি সোয়েট এ ক্ষেত্রে দারুণ অপশন। ক্যাজুয়াল সম্ভবত মিনিমাল স্টাইল তৈরির সবচেয়ে সহজ উপায়। একদম একরঙা কালার প্যালেট বেছে নিতে চাইলে, ফ্যাব্রিকের টেক্সচারে ভিন্নতা থাকতে পারে। এটা পোশাকে গভীরতা তৈরি করবে, যোগ করবে বাড়তি আকর্ষণ। ছেলেদের জন্য রঙ বাছাই করা ঝক্কির ব্যাপার। তবে স্বস্তির কথা হচ্ছে, মিলিমালিস্টিক প্যালেট তৈরি হয় মূলত কালো, নেভি, গ্রে, সাদা আর অফ হোয়াইটের ভিন্ন ভিন্ন শেডে।
    মিনিমাল স্ট্রিটওয়্যারের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, এতে শিলুয়েটের কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। তবে টেইলারিংয়ে কিছু বিশেষত্ব রয়েছে; যেমন- চওড়া কাঁধ, রিপড ওয়েস্ট আর চাপা পা। মিনিমাল স্ট্রিটওয়্যার সব ধরনের শেপ এবং সাইজে তৈরি হয়। সঙ্গে অ্যাকসেসরিজও হওয়া চাই সে রকম। সবশেষে সোজাসাপটা, পরিচ্ছন্ন মডার্ন লুক তৈরিই এর মূল লক্ষ্য। আরমানি আর আলেক্সান্ডার ওয়াংয়ের মতো ব্র্যান্ডগুলো পরিচিত তাদের মিনিমাল স্টাইল তৈরির জন্য। ট্রেন্ড তৈরিতেও এদের বিশেষ ভূমিকা থাকবে বছরজুড়ে। আপনি যদি লক্ষ করে থাকেন, রানওয়ে লুকগুলোতে ছিল স্লিকনেস এবং সিমপ্লিসিটিরই প্রাধান্য। মিনিমাল স্ট্রিটওয়্যার লুক সম্পূর্ণ করতে জুতসই অনুষঙ্গও জরুরি। সে ক্ষেত্রে জুতায় বিনিয়োগ করা চাই সবচেয়ে বেশি। কালো, সাদা কিংবা গাঢ় নীল রঙের জুতাগুলোই বেশি মানানসই। খুব জবরজং যেন না হয়, বরং থাকতে হবে একদম সাদাসিধে। যদি স্নিকার পরতে চান, সে ক্ষেত্রে মাল্টিকালারড উজ্জ্বল রঙাগুলো একদম এড়িয়ে যান। এ ছাড়া সাদামাটা সিলভার কাফ অথবা সাধারণ সোনালি ঘড়ি বেছে নিতে পারেন।
    আমার মতে, জারা কিংবা এসোস-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো হচ্ছে মিনিমাল ক্লদিংয়ের সবচেয়ে ভালো জায়গা। আপ টু ডেট ট্রেন্ডি মেনজ আউটফিটের জন্য চমৎকার অপশন। মিনিমালিজম খুব ডিজাইন বেজড কনসেপ্ট নয়। মৌলিক কাঠামো সাদাসিধে বলে এর বৈশিষ্ট্যগুলো অনুসরণও খুব বেশি কষ্টসাধ্য নয়। বেশি জাঁকজমকপূর্ণ নয় বরং একদম সাদামাটা। অর্থাৎ বাহুল্যবর্জিত। দিস ইজ মি মিনিমাল মুদাসসির সাইনিং অফ।

     আহমেদ অনিক মুদাসসির

    Facebook:minimalmudassir

    Instagram:minimalmudassir

    website: www.minimalmudassir.com


    Subscribe & Follow

    JOIN THE FAMILY!

    Subscribe and get the latest about us
    TRAVELS
    LIFESTYLE
    RECENT POST
    ওজন কমাতে টেকার
    15 December, 2017 3:35 pm
    BANNER SPOT
    200*200
    SOLO PINE @ INSTRAGRAM
    FIND US ON FACEBOOK