FASHON
  • ফরহিম I টিন-স্কিন

    টিন এজে শরীর, মন বদলাতে শুরু করে। সেই বদলের প্রভাব পড়ে ত্বকে। হরমোনাল ব্যালান্সে নানা চড়াই-উতরাইয়ের কারণে ত্বকসংক্রান্ত সমস্যাগুলো একটু বেশিই দেখা দেয় ছেলেদের মধ্যে। পাশাপাশি দাড়ি-গোঁফ উঠতে শুরু করে, খাবারের রুটিনও ঠিক থাকে না। ভেতর-বাইরের এসব নানা পরিবর্তনের কারণে ত্বক অপেক্ষাকৃত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ব্রণ, র্যাশ, ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে নানা রকম প্রদাহ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সে জন্য প্রয়োজন হয় আলাদা যত্ন।
    সবচেয়ে জরুরি হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। এ সময় ছেলেদের মধ্যে একধরনের ঔদাসীন্য দেখা দেয়। কেউ কেউ নিজের প্রতি অতিমাত্রায় যত্নশীল হয়ে পড়ে, আবার অনেকে একেবারেই না। দুটোর কোনোটাই ত্বকের জন্য ঠিক নয়। ত্বক ভালো রাখার জন্য নামিদামি প্রসাধন দ্রব্য ব্যবহার না করে পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করতে হবে। ব্যবহার করতে হবে মাইল্ড ক্লিনজার। সাবানে ক্ষার বেশি থাকে বলে এ সময় মুখত্বকে সাবান যত কম ব্যবহার করা যায়, তত ভালো। সুবাসিত ক্লিনজার এবং স্ক্রাবারও ব্যবহার করা যাবে না। সাধারণ এবং হালকা ক্লিনজার ব্যবহার করে দিনে কমপক্ষে তিনবার পরিষ্কার করতে হবে মুখত্বক। ধোয়ার পর ব্যবহার করতে হবে ময়শ্চারাইজার। এ ধরনের ত্বকের জন্য আদর্শ হলো লাইট অয়েল ফ্রি ময়শ্চারাইজার। তাতে মুখ অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে পড়বে না।
    এ সময় ব্রণ হবেই। বেশির ভাগ সময়েই সেটি এড়ানোর উপায় থাকে না। তবে চেষ্টা করা যেতে পারে এর মাত্রা কমানোর। হরমোনের জটিলতা ছাড়াও ব্রণের আরেকটি বড় কারণ টিনএজারদের খাদ্যাভ্যাস। প্রচুর জাঙ্ক ফুড খাওয়া হয় এ সময়। তেল, চর্বি আর সোডিয়াম রিচ- এসব জাঙ্ক ফুড অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে ত্বকে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ। সুতরাং জাঙ্ক ফুড খাওয়া চলবে না, খেলেও খুব কম। পাশাপাশি ব্রণ হলে সেখানে হাত দেয়া, চুলকানো বা টিপে ভেতরের ময়লা বের করার চেষ্টা করা যাবে না। এ ধরনের অভ্যাসের ফলে ক্রমেই বাড়তে থাকে ব্রণের প্রকোপ।
    এ বয়সে খাওয়া-দাওয়ার সময় ঠিক থাকে না। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় ত্বক। নিয়ম করে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি। খেতে হবে প্রচুর সবজি ও দুধ। ভাজা-পোড়া যত কম খাওয়া যায়, তত সেটি ত্বকের জন্য আশীর্বাদ।
    যারা শেভ করতে শুরু করবে, তাদের রেজর বাছাইয়ে সতর্ক থাকা চাই। টিনত্বকের জন্য সব ধরনের রেজর নয়। একধরনের স্পেশাল রেজর পাওয়া যায় ওই বয়সের জন্য, পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে রেজরের ব্লেড যেন পরিষ্কার ও ধারালো থাকে।
    এ সময় প্রচুর পানি পান করতে হয়। প্রতিদিন কমপক্ষে দশ গ্লাস। এতে অভ্যন্তরীণ সমস্ত ময়লা কেটে সুস্থ থাকবে ত্বক। চুলে প্রচুর পরিমাণ হেয়ার জেল এবং মুজের ব্যবহারের কারণেও মুখত্বকে ইরিটেশন সৃষ্টি হয়। এ ধরনের প্রডাক্ট যত কম ব্যবহার করা যায় ততই উত্তম। রাত জাগা, মোবাইলে আসক্তি কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটারের সামনে বসে থাকার মতো বদভ্যাসগুলোও ছাড়া চাই। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ত্বকে তার ভয়ংকর প্রভাব পড়ে। দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিও এতে প্রতিহত হয়। চেষ্টা করতে হবে সময়মতো ঘুমিয়ে পড়তে। প্রতিদিন ঘুমাতে হবে কমপক্ষে সাত ঘণ্টা। তবেই সুস্থ আর সুন্দর থাকবে ত্বক।

     রত্না রহিমা
    মডেল: সোহাম
    কৃতজ্ঞতা: পারসোনা মেনজ
    ছবি: ক্যানভাস


    Subscribe & Follow

    JOIN THE FAMILY!

    Subscribe and get the latest about us
    TRAVELS
    LIFESTYLE
    RECENT POST
    বোটক্সের বদলে
    19 January, 2018 7:04 pm
    আলোকচিত্র
    19 January, 2018 6:57 pm
    BANNER SPOT
    200*200
    SOLO PINE @ INSTRAGRAM
    FIND US ON FACEBOOK