ইনফোগ্রাফ I জমকালো জাম
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গ্রীষ্ম ও বর্ষায় সহজলভ্য এবং প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো একটি জনপ্রিয় ফল। গাঢ় বেগুনি-কালো রঙের জাম শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ
মূলত দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশজ ফল; বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বেশি পাওয়া যায়
এটি চিরসবুজ গাছের ফল, গাছটি ১০-৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়
ফল পাকলে গাঢ় বেগুনি থেকে কালো রং ধারণ করে; কাঁচা অবস্থায় সবুজ বা হালকা গোলাপি
জামের গড় দৈর্ঘ্য ১-২ সেন্টিমিটার; ডিম্বাকৃতি বা লম্বাটে
ফলের ভেতরের শাঁস মিষ্টি-টক ও সামান্য কটু; এর মধ্যে একটি বড় বীজ থাকে
জামগাছ দীর্ঘজীবী; কোনো কোনোটি ১০০ বছরের বেশি বাঁচে
প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় জাম এবং এর বীজ শত শত বছর ধরে ব্যবহৃত
জামে থাকা জ্যাম্বোলিন ও জ্যাম্বোসিন নামক যৌগ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে সুরক্ষা দেয়
আয়ুর্বেদে জামপাতার ব্যবহার মেলে ডায়রিয়া ও মুখের সংক্রমণ রোধে
জামে রয়েছে ভিটামিন সি, আয়রন, পটাশিয়াম ও পলিফেনল; যা শরীরের রোগ প্রতিরোধে উপকারী
গ্রীষ্ম-বর্ষায় জাম সাধারণত সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় এবং টাটকা খাওয়ার পাশাপাশি জুস, জেলি ও আচারেও ব্যবহৃত।
পুষ্টিগুণ (প্রতি ১০০ গ্রাম)
ক্যালরি: ৬০ কিলোক্যালরি
কার্বোহাইড্রেট: ১৫-১৬ গ্রাম
ডায়েটারি ফাইবার: ০.৬ গ্রাম
প্রোটিন: ০.৭ গ্রাম
ফ্যাট: ০.২ গ্রাম
ভিটামিন সি: ১৮-২২ মিলিগ্রাম
ক্যালসিয়াম: ১৫ মিলিগ্রাম
আয়রন: ১.৪ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম: ৭৯ মিলিগ্রাম।
ফুড ডেস্ক
ছবি: ইন্টারনেট
