সম্পাদকীয়
জুন-জুলাইয়ে অন্য এক বিশ্বকে দেখা গেছে। হানাহানি, হিংসা ভুলে মানুষ বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে মাতোয়ারা। শত্রুরও সেখানে বন্ধু হয়ে যাওয়ার গল্প আছে শুধু প্রিয় দল আর খেলোয়াড় মিলে যাওয়ার কারণে। এই স্বস্তির সময়ের গল্প দীর্ঘ হবে—সেই আশা অন্তরে। ক্যানভাসের জুলাই সংখ্যার কভারস্টোরিতে রয়েছে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ফ্যাশন বাজারের কলেবরের বিশালতার গল্প; একই সুরে সাসটেইনেবিলিটি আর স্পোর্টস শু স্পেশালিটি। ফ্যাশন সেগমেন্টে আরও রয়েছে প্রিন্সেস ডায়ানা ইন্সপায়ারড ফিটচেক। কারণ, এই বিশেষ ব্যক্তিত্বের জন্মদিন ১ জুলাই।
বিউটি সেগমেন্টে ম্যাচ টাইমেও স্কিন কেয়ার কীভাবে করা যেতে পারে, সেই আলাপ। আছে সারা রাত খেলা দেখে সকালেও সজীবতার স্পর্শ পাওয়ার রহস্য। ফুড সেগমেন্টে বিশ্বকাপের হোস্ট সিটির খাবারের মূল স্বাদ। ঐতিহ্যবাহী নাইওরি নেমন্তন্ন যেমন আছে, তেমনি আধুনিক এয়ার ফ্রায়ারও।
লাইফস্টাইল সেগমেন্টের যাপনচিত্রে আছে তরুণ তুর্কি মোরশেদ মিশুর একদিন সারা দিনের গল্প। সঙ্গে নগরীর পুরোনো ড্রেনেজ সিস্টেমের বিস্তারিত; যা থেকে অনুপ্রেরণা পেতে পারে আমাদের বড় শহরগুলো।
জুলাই এসেছে বছর ঘুরে। ক্যানভাস আরও এক বছর পেরোচ্ছে এবার। যেমন আছে আগামীর অপেক্ষা, তেমনি থাকে পাঠকের প্রত্যাশাও। আপনাদের ভালোবাসাই আমাদের প্রেরণা। সঙ্গে থাকবেন।
সবার জন্য শুভকামনা।
