ইনফোগ্রাফ I আতা অধ্যায়
আতা সুস্বাদু ও পুষ্টিকর মৌসুমি ফল। ইংরেজিতে বলে কাস্টার্ড অ্যাপেল। বৈজ্ঞানিক নাম আন্নোনা স্কুয়ামোসা
আতার জন্মভূমি মধ্য আমেরিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফলটি বিশ্বের বিভিন্ন উষ্ণ ও উপ-উষ্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে
বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশে এর ব্যাপক চাষ হয়
এই ফল সাধারণত কাঁচা অবস্থায় কেটে খাওয়া হয়; পাকা ফলের ভেতরের নরম ও মিষ্টি শাঁস চামচ দিয়ে খাওয়ার প্রচলন বেশি
এর শাঁস ব্লেন্ড করে দুধ বা পানির সঙ্গে মিশিয়ে পুষ্টিকর জুস তৈরি করা যায়
কাস্টার্ড, পুডিং ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরিতে শাঁস ব্যবহার করা হয় স্বাদ বাড়ানোর জন্য
এর স্বাদযুক্ত আইসক্রিম আধুনিক ডেজার্ট হিসেবে জনপ্রিয়
আতা ফল ব্লেন্ড করে ফ্রুট স্মুদি বানানো যায়, যা স্বাস্থ্যকর ও অ্যানার্জি-বুস্টিং পানীয় গণ্য।
পুষ্টিগুণ
ক্যালরি: প্রতি ১০০ গ্রামে থাকে ৯০-১০০ কিলো ক্যাল, যা দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে
কার্বোহাইড্রেট: উচ্চ মাত্রায় বিদ্যমান, যা শরীরের শক্তির প্রধান উৎস
ডায়েটারি ফাইবার: ভালো পরিমাণে থাকে; হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
ভিটামিন সি: রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়
ভিটামিন বি৬ ই৬: মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও স্নায়ুতন্ত্রের জন্য উপকারী
পটাশিয়াম: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখে
ম্যাগনেশিয়াম: পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: শরীরের কোষকে ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দেয় এবং বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করে
প্রাকৃতিক শর্করা: শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে।
ফুড ডেস্ক
ছবি: ইন্টারনেট
