skip to Main Content

সংরক্ষণ সমাধান I রান্না সুরক্ষা

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) এবং ফুড সেফটির নির্দেশিকা অনুযায়ী, রান্না করা খাবার সাধারণভাবে দুই ঘণ্টার বেশি ঘরের তাপমাত্রায় রাখা ঠিক নয়। আর যদি পরিবেশের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হয়, তাহলে নিরাপদ সময়সীমা নেমে আসে এক ঘণ্টায়। এ সময়ের পর বাইরে থেকে খাবারকে ঠিকঠাক দেখালেও ভেতরে পরিবর্তন শুরু হয়ে যায়। রান্না করা খাবারের মান দীর্ঘ সময় অটুট রাখার জন্য কিছু উপায় জেনে রাখা ভালো।
 গরম হাঁড়ি সরাসরি ফ্রিজে না রেখে খাবার ছোট ছোট পাত্রে ভাগ করুন। এতে খাবার দ্রুত ঠান্ডা হবে, ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রাও স্থিতিশীল থাকবে। ফ্রিজের সামনের দিকে নয়, খাবার রাখুন ভেতরের স্থিতিশীল ঠান্ডা অংশে। ফ্রিজে বাতাস চলাচলের জন্য কিছুটা খালি জায়গা রাখুন এবং সপ্তাহে এক দিন ফ্রিজ রিসেট করুন।
 রান্না করা খাবারের পাশে কাঁচা মাছ বা মাংস রাখলে ক্রস-কন্টামিনেশনের ঝুঁঁকি বেড়ে যায়। (ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ বিভাগ) জানায়, ফ্রিজ ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ধীর করে, কিন্তু তা পুরোপুরি বন্ধ করে না। তাই রান্না করা খাবার বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করা মঙ্গল।
 কাচের বায়ুরোধী পাত্রে গন্ধ কম হয়, পরিষ্কার রাখা সহজ এবং ভেতরের খাবার একনজরে দেখা যায়। খাবার সংরক্ষণে ভালো মানের ফুড-গ্রেড প্লাস্টিকও ব্যবহার করা যায়। তবে খুব গরম খাবার সরাসরি প্লাস্টিকে না রাখাই ভালো। স্বচ্ছ কাচের কনটেইনার ব্যবহার করলে ঢাকনা না খুলেই বুঝবেন, ভেতরে কী আছে। এতে বাঁচবে সময়।
 সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একটু বেশি রান্না করে পুরো সপ্তাহের জন্য খাবার গুছিয়ে রাখার অভ্যাস এখন অনেকের। কানাডার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করতে হলে খাবার ছোট ছোট অংশে ভাগ করে ফ্রিজারে রাখা সুবিধাজনক। এতে প্রয়োজনমতো বের করা যায় এবং পুরো খাবার বারবার গলাতে হয় না।
 ফ্রিজার ব্যাগে খাবার সমতল করে রাখুন। কম জায়গা লাগবে, দ্রুত জমবে এবং গলবেও তাড়াতাড়ি। যতটুকু খাবেন, শুধু সেই অংশটুকু গরম করুন। একই খাবার বারবার গরম ও ঠান্ডা করলে শুধু স্বাদ নয়, গুণগত মানও কমে যায়।

 ফুড ডেস্ক
ছবি: ইন্টারনেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back To Top