skip to Main Content

ট্রেন্ডি টেকনিক I হাই ড্রেপ ব্লাশ

কিছুটা স্ক্যাল্পটেড কৌশলে ব্যবহৃত হচ্ছে ব্লাশ। তবে আগের মতোই আভা ছড়িয়ে

গালে গোলাপি দ্যুতি। ব্লাশের ব্যাপারটা অনেক দিন এমনই ছিল। সময়ের সঙ্গে বদলেছে অনেকটা। গালে জায়গা করে নিচ্ছে কোরাল, ব্রাউন, রোজি আর পিচের মতো রং। ব্লাশ দিয়ে যে কনট্যুরের মতো মুখের আকারও বদলে ফেলা যায়, একে বলা হয় ব্লাশ ড্রেপিং। এ কৌশলে যাকে যেমন মানায়, সেভাবে ব্লাশ ব্যবহার করা হয় গালে। অতীতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যেত, গালের হাড়ের ওপর থেকে কানের পাশ ও চোখের দিকে ব্লাশ বুলিয়ে দিলে মুখে একধরনের লম্বাটে ও উজ্জ্বল কাঠামো তৈরি হয়। একে বলে হাই ড্রেপিং। মেকআপের এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন মার্কিন অভিনেত্রী ও গায়িকা শেরের মেকআপ আর্টিস্ট ওয়ে ব্যান্ডি। গেল সত্তরের দশকে। রেট্রো এই কৌশল আজকাল দেখা যাচ্ছে ফ্যাশন রানওয়ে থেকে নিয়মিত সাজে।
হাই ড্রেপ ব্লাশে মুখকে লিফটেড আর টানটান দেখায়। ফেস শেপকে ডিফাইন করাসহ কিছুটা কনট্যুরের মতো কাজ করে। এতে গোল বা চওড়া মুখ লম্বাটে দেখাতে পারে। ফ্রেশ ও ইয়ুথফুল লুকের জন্য মেকআপ আর্টিস্টরা এই পদ্ধতিতে ব্লাশ ব্যবহার করছেন।
জেনে নেওয়া যাক কৌশল
 এতে একটি মাঝারি আকারের মেকআপ ব্রাশে ব্লাশ নিয়ে গালের ওপর থেকে শুরু করে ইংরেজি ‘সি’ অক্ষরের মতো কানের পাশের টেম্পলস হয়ে আই ক্রিজ পর্যন্ত টেনে আনা হয় ব্লাশ। কিছুটা কনট্যুরের মতো।
 ফুল গ্ল্যাম সাজের জন্য ব্লাশ দেওয়ার আগে তৈরি করে নিতে হবে মেকআপ বেস। ফাউন্ডেশন, কনসিলার, ব্রোঞ্জার ও পাউডার। সফট গ্ল্যামে বেজ মেকআপ না থাকলেও চলে।
 ব্লাশ প্রয়োগের পর ব্লেন্ড করা জরুরি। ব্রাশ দিয়ে হালকা হাতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ব্লাশ ব্লেন্ড করে নিন। এতে নিখুঁত ও মসৃণ দেখাবে সাজ।
 হাই ড্রেপ লুকের জন্য পাউডার বা লিকুইড; ব্যবহার করা যেতে পারে ক্রিম ব্লাশও।

 বিউটি ডেস্ক
মডেল: বুশরা
মেকওভার: পারসোনা
ছবি: জিয়া উদ্দীন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back To Top