skip to Main Content

অ্যাডভার্টোরিয়াল I বাংলাদেশের ল’রিয়েল ‘বিআর্থ’

বাংলাদেশের বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। ভোক্তা চাহিদা, নতুন প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী ফর্মুলেশন এবং বৈশ্বিক ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই খাতে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন সম্ভাবনা। এই পরিবর্তনশীল ইন্ডাস্ট্রিতে বৈচিত্র্যময় পথচলা শুরু করেছে বিআর্থ (Beaarth )।
২০১৯ সালে বাংলাদেশে বিউটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম চারদিকের (Chardike) মাধ্যমে বিআর্থের যাত্রা শুরু। আন্তর্জাতিক বিউটি ট্রেন্ড এবং ভোক্তা চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরিই ছিল এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
সময়ের সঙ্গে বিআর্থের পরিসর বিস্তৃত হতে শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্ত হয় GFORS ব্র্যান্ড; যা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, ভিয়েতনামসহ প্রায় ১৫টি দেশে বাজারজাত করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি ফ্যাক্টরিতে উৎপাদিত হচ্ছে এই ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো। কে-বিউটির অভিজ্ঞতা এবং দেশীয় কেমিস্টদের সমন্বয়ে ২০২৩ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু হয় কসল্যাব পারসোনাল কেয়ার লিমিটেডের। ভোক্তার পরিবর্তিত চাহিদা ও লাইফস্টাইলকে গুরুত্ব দিয়ে যুক্ত হতে থাকে নিত্যনতুন ক্যাটাগরি ও ব্র্যান্ড।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু হয় বর্তমানে জেন-জির অন্যতম জনপ্রিয় ব্র্যান্ড skin’O-এর। সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে দ্রুততম সময়ে আলোচনায় আসে কোরিয়ান ফর্মুলেশনে তৈরি এই ব্র্যান্ড। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোতে এই ব্র্যান্ডের সাম্প্রতিককালের ক্যাম্পেইন সবার নজর কেড়েছে। ব্র্যান্ডটির ফেসওয়াশ, শ্যাম্পু, সেরাম, টোনার ইত্যাদি নতুন প্রজন্মের গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে।
একই বছরে বাজারে আসে innsaei ব্র্যান্ড। এর দুটি ক্লিনজার বর্তমানে বিদেশি ক্লিনজারগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছে। ব্র্যান্ডটির সানস্ক্রিন ও সেরাম দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। স্পেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসিদ্ধ বিভিন্ন ল্যাব থেকে skin’O ও innsaei-এর বিভিন্ন প্রোডাক্ট পেয়েছে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশন, যা পণ্যগুলোর গুণগত মান ও কার্যকারিতায় গ্রাহকদের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে। ২০২৬ সালে এই ধারাবাহিকতায় যুক্ত হয়েছে Daily Bath, inBeauti, D’Aamour, Qalb, Happy Baby ও Bionuvita।
ফলে বিআর্থের পরিসর এখন শুধু বিউটি বা স্কিন কেয়ারে সীমাবদ্ধ নয়; বরং পার্সোনাল কেয়ার এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রয়োজনকে ঘিরে গড়ে উঠছে একটি সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় ইকোসিস্টেম।
এই অগ্রযাত্রার পরবর্তী লক্ষ্য শুধু নতুন ব্র্যান্ড বা ক্যাটাগরি যুক্ত করা নয়; বরং বিজ্ঞান ও গবেষণাভিত্তিক স্কিন কেয়ারে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেওয়া। সে কারণে বিআর্থ কাজ করছে একটি শক্তিশালী সায়েন্স-বেসড স্কিন কেয়ার ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে।
কসল্যাব রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারে বর্তমানে কাজ করছে তরুণ কেমিস্ট এবং ফার্মাসিস্টদের সুদক্ষ একটি টিম। আগামী দুই বছরের মধ্যে শতাধিক সায়েন্টিস্ট নিয়ে বাংলাদেশে একটি বৃহৎ ও আধুনিক স্কিন কেয়ার রিসার্চ ল্যাব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেখানে ইনগ্রেডিয়েন্ট ও বেসিক স্কিন কেয়ার-সংক্রান্ত রিসার্চ এবং নতুন ফর্মুলেশন নিয়ে চলবে ধারাবাহিক কার্যক্রম।
এ ছাড়া বাংলাদেশের স্থানীয় ফল, সবজি ও প্রাকৃতিক উপাদান নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে নতুন ইনগ্রেডিয়েন্ট তৈরি করে সেগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি দেশীয় স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টও রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে।
গবেষণা ও টেস্টিংয়ের সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে কোরিয়া, ফ্রান্স, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান ও ল্যাবের সঙ্গে গড়ে উঠছে কৌশলগত সহযোগিতা।
আর এই যাত্রার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো, গল্পটি এখনো শেষ হয়নি; বরং প্রতিটি নতুন সংযোজনের সঙ্গে বিআর্থ লিখে চলেছে তার পরবর্তী অধ্যায়।
লেখা ও ছবি: বিআর্থ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back To Top