ইনফোগ্রাফ I মিরাকেল মিস্ট্রি
মিরাকেল ফ্রুট ছোট আকারের উষ্ণমণ্ডলীয় ফল। যার বৈজ্ঞানিক নাম সিনসেপালাম ডালসিফিকাম।
জানা যায়, পশ্চিম আফ্রিকার এই ফল খাওয়ার পর স্বাদে আসতে পারে পরিবর্তন। টক বা তেতো খাবারও কিছু সময়ের জন্য মিষ্টি মনে হতে পারে। ফলের ভেতরের সাদা শাঁসে থাকা মিরাকুলিন জিহ্বার মিষ্টি স্বাদগ্রাহী রিসেপ্টরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। অম্লীয় খাবার খেলে তখন মনে হতে পারে টক স্বাদ মিষ্টি।
পাকা মিরাকেল ফ্রুট সাধারণত তাজা অবস্থায় খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। ফলটি দেখতে ছোট, লাল ও ডিম্বাকৃতির।
ঘানা, নাইজেরিয়া এবং আশপাশের অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে এটি। বর্তমানে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন উষ্ণ ও উপ-উষ্ণ অঞ্চলেও মিরাকেল ফ্রুট চাষ হচ্ছে বলে তথ্য পাওয়া যায়।
স্বাদ নিয়ে পরীক্ষামূলক অভিজ্ঞতা, ফলের প্ল্যাটার, ডেজার্ট ও বিভিন্ন খাবারের স্বাদ পরিবর্তনের আয়োজনেও এটি ব্যবহার করা হয়।
পুষ্টিগুণ
প্রতি ১০০ গ্রামে এর ক্যালরির পরিমাণ তুলনামূলক কম বলে বিভিন্ন পুষ্টিবিষয়ক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। ভিটামিন সি, ফ্ল্যাভোনয়েডসহ বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে এতে।
এতে উপস্থিত মিরাকুলিনের কারণে খাবারের স্বাদ পরিবর্তনের বিশেষ ক্ষমতা থাকলেও মিরাকেল ফ্রুটকে কোনো রোগের চিকিৎসা বা প্রমাণিত স্বাস্থ্যপণ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ পুষ্টিগুণের চেয়ে স্বাদ বদলে দেওয়ার বিস্ময়কর ক্ষমতা; সে কারণেই এমন নামকরণ হয়েছে বলে জানা যায়।
তথ্য: পাবমেড জার্নাল
ফুড ডেস্ক
ছবি: ইন্টারনেট
