নারীদের ডিজিটাল ক্ষমতায়নে এবং তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে দেশের জনপ্রিয় বিউটি সার্ভিস প্রোভাইডার ‘রমণী’র সাঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রমণীর নারী সেবাদানকারী কর্মীরা নিজেদের পেশার বাইরে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাবেন।
এই অংশীদারত্বের আওতায় রমণীর কর্মীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে ডিজিটাল রিচার্জ বিক্রি করার প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করবেন। রিচার্জ বিক্রি করে কমিশন অর্জনের মাধ্যমে তারা বাংলালিংক পাওয়ার অ্যাপকে নিজের আয়ের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। সম্প্রতি বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় ‘টাইগার্স ডেন’-এ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সই হয়।
প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুক্তি অনুযায়ী, রমণীর কর্মীরা অ্যাপের মাধ্যমে রিচার্জসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা দিতে পারবেন। পাশাপাশি তারা ডিজিটাল দক্ষতা ও নিরাপদভাবে ডিজিটাল টুল ব্যবহারের প্রয়োজনীয় সক্ষমতাও অর্জন করবেন। উদ্যোগটি তাদেরকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে সাহায্য করবে।
বাংলালিংক পাওয়ার অ্যাপটি একটি সামাজিক ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম। এতে কোনো প্রাথমিক খরচ ছাড়াই রিচার্জ বিক্রি করে আয়ের সুযোগ রয়েছে। ব্যবহারকারীরা ডিজিটাল কেওয়াইসি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যাপটির সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন এবং রিয়েল-টাইমে তাদের কমিশন ও রিওয়ার্ড ট্র্যাক করতে পারবেন।
উদ্যোগটি মূল কাজের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের বাস্তবসম্মত সুযোগ তৈরি করছে। বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে পরিচিত এবং বিশ্বস্ত নারীদের জন্য এটি ডিজিটাল অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার একটি কার্যকর পথ।
নারী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের শুধু ডিজিটাল সচেতনতা বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ডিজিটাল অর্থনীতিতে দক্ষ ও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণে সহায়তা করাই বাংলালিংকের লক্ষ্য। রমণীর সঙ্গে এই অংশীদারত্ব সেই বৃহত্তর লক্ষ্যের প্রতিফলন।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, ‘রমণীর সেবাদানকারী কর্মীদের মতো নারীরা ইতোমধ্যে তাদের নিজ নিজ কমিউনিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আমরা চাই, তারা যেন ডিজিটাল দক্ষতা ও টুলস ব্যবহার করে আরও সাফল্য অর্জন করতে পারেন। ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ তাদের জন্য আয়ের একটি বাস্তবসম্মত সুযোগ তৈরির পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনা উন্মোচনে আত্মবিশ্বাস জোগাবে।’
রমণীর সিইও আরমিন জামান খান বলেন, ‘এই অংশীদারত্ব আমাদের সেবাদানকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। বাংলালিংক পাওয়ার অ্যাপের প্রযুক্তিগত সহায়তায় তারা নিজেদের সেবার পরিধি বাড়াতে পারবেন এবং তাদের প্রাত্যহিক আয় বাড়াতে পারবেন। ডিজিটাল অর্থনীতিতে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ।’
অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের পক্ষ থেকে সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মুহাম্মদ মেহেদী হাসান, ডিজিটাল রিচার্জ অ্যান্ড অলটারনেট চ্যানেল ডেপুটি ডিরেক্টর মো. খালেদুল হাসান এবং হেড অব ডিজিটাল রিচার্জ মোহাম্মদ তাহমিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। রমণীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সিইও আরমিন জামান খান এবং মার্কেটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার নাশিবা সামারাত।
I ক্যানভাস অনলাইন
