এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, আসন্ন রমজানের ঈদকে ঘিরে দেশের কসমেটিকস বাজারে চাহিদা বেড়েছে নিওর ও লিলি ব্র্যান্ডের পণ্যের। রাজধানীসহ দেশের প্রধান শহরগুলোর প্রসাধনী দোকান ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
এবার রোজায় আগে ভাগেই ঈদের কেনাকাটায় বাড়তি ব্যস্ততা দেখা দিয়েছে বিপণিবিতান ও মার্কেটগুলোতে। পোশাকের পাশাপাশি প্রসাধনী সামগ্রীর বিক্রিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। ব্যবসায়ীরা জানান, তরুণী ও কর্মজীবী নারীদের মধ্যে কালার কসমেটিকস ও স্কিন কেয়ার পণ্যের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
রাজধানীর নিউমার্কেট, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স ও গাউছিয়া মার্কেটের একাধিক বিক্রেতার দেয়া তথ্য মতে, গত বছরের তুলনায় এ বছর ঈদে কসমেটিকস বিক্রি প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে। গাউছিয়া মার্কেটের মাহা কসমেটিকসের বিক্রেতা জানান, এবার ব্র্যান্ডের কসমেটিকসে চাহিদা ভালো। বিশেষ করে নিওর ও লিলি ব্র্যান্ডের ফাউন্ডেশন, লিপস্টিক, কমপ্যাক্ট পাউডার ও স্কিন সিরাম ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে।
নিওরের চীফ বিজনেস অফিসার রাশেদুল ইসলাম বলেন, ব্র্যান্ডের প্রতিটি পণ্যই সাশ্রয়ী মূল্য, ত্বকের উপযোগীতায় উচ্চতর গবেষণা ও ফর্মুলেশন দিয়ে তৈরি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সেরা কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কাঁচামাল এনে দেশেই তৈরি হচ্ছে এসব পণ্য। যা ক্রমেই ক্রেতাদের মাঝে আস্থা ও নির্ভরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে দিয়েছে নিওরকে।
লিলি ব্র্যান্ডের প্রধান কর্মকর্তা আবির আদনান জানান, অত্যাধুনিক কার্যকরী মানের পণ্য ও সাশ্রয়ী দাম এর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণাএই তিন কারণে লিলি ব্র্যান্ড জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। দেশীয় উৎপাদন হওয়ায় দাম তুলনামূলক কম এবং সহজলভ্যতা যথেষ্ট।
শুধু অফলাইন মার্কেট নয়, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ও ফেসবুকভিত্তিক অনলাইন শপেও এই দুই ব্র্যান্ডের চাহিদা লক্ষণীয়। কুরিয়ার সার্ভিস সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ উপলক্ষে কসমেটিকস ডেলিভারির অর্ডার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নকল পণ্যের ঝুঁকিও বাড়ছে বলে সতর্ক করছেন ব্যবসায়ী ও ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা। তারা অফিসিয়াল হারল্যান স্টোর, অনুমোদিত বিক্রেতা বা বিশ্বস্ত অনলাইন পেজ থেকে পণ্য কেনার পরামর্শ দিয়েছেন।
সারাহ্ দীনা/অনলাইন
