skip to Main Content

ঝলমলে শাড়িতে মেট গালায় এসেছিলেন ইশা আম্বানি। রুপালি জমিনে সোনালি সুতোয় হাতে বোনা হয়েছে ইশার শাড়িটি। নকশা করেছেন ভারতীয় ডিজাইনার গৌরব গুপ্ত। ইনস্টাগ্রামে এ বিষয়ে ডিজাইনার নিজেই জানিয়েছেন। শাড়ির পাড় আর আঁচলে সোনার সুতোর নকশার অনুপ্রেরণা নিয়েছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের অজান্তা ও ইলোরা গুহার দেয়ালে আঁকা এবং খোদাই করা প্রাচীন শিল্পকর্ম থেকে। ফ্রেসকো স্টাইলে হাতে কারুকাজ করেছেন ভারতের জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী লাক্সারি ফ্যাশন ব্র্যান্ড স্বদেশের ২৫ জন কারিগর। মেটের ‘ফ্যাশন ইজ আর্ট’ থিমের সঙ্গে মিল রেখে।

ব্লাউজে হাতে সেলাই করে বসানো হয়েছে ২০০টি মহামূল্যবান পাথর। ১৮০০ ক্যারেটের হীরা ছাড়াও পান্না, পোলকি আর কুন্দন— সবই ইশা পেয়েছেন উত্তরাধিকারসূত্রে, মা নীতা আম্বানির ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে।

সব শেষে পরেছেন সোনালি রঙের স্কাল্পটেড কেইপ। রেজিনে মোড়ানো ভাস্কর্যসদৃশ। পুরো সাজপোশাক তৈরিতে ১২০০ ঘণ্টার বেশি সময় কাজ করেছেন ৫০ জন কারিগর। গলায় পরেছেন লরেন শোয়ার্টজের তৈরি হীরার চোকার, ৫০ ক্যারেটের একটি পান্না এবং তার পারিবারিক উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া গয়না। স্টাইল করেছেন অনিতা শ্রফ আদাজানিয়া।

শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে হাতে ব্যাগের বদলে ইশা নিয়েছেন একটি আম। কাঁচা-পাকা হলদে রঙের। ঠিক যেন গাছ থেকে সদ্য পেড়ে আনা রসাল আম। সোনালি সুতোর মোড়কে সেটি ঝুলিয়ে নিয়েছেন ইশা। তবে আমটি সত্যিকারের নয়, স্টিলের তৈরি। এটি ভারতীয় শিল্পী সুবোধ গুপ্তের তৈরি ২০ বছরের পুরোনো ভাস্কর্য। নাম, দ্য গোল্ডেন ম্যাঙ্গো স্কাল্পচার। তবে ইশা আম কেন এনেছেন? কারণ, একে তো আমের মৌসুম, তার ওপর ভারতের জাতীয় ফল।

I ক্যানভাস অনলাইন
ছবি: ইন্টারনেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back To Top