skip to Main Content

ইনফোগ্রাফ I কোকোয়া বিন বেনিফিটস

তৎকালীন মেসোআমেরিকায় আবির্ভূত হওয়ার আগে, দক্ষিণ আমেরিকার মায়ো-চিনচিপে সংস্কৃতিতে অন্তত ৫ হাজার ৩০০ বছর আগে প্রথম কোকোয়া গাছের দেখা মেলে। এরই ফল বা বীজ কোকোয়া বিন, যা চকলেটের মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহারের ইতিহাস বেশ পুরোনো

 ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫ দশমিক ৮ মিলিয়ন টন কোকোয়া বিন উৎপাদিত হয়; এর ৩৮ শতাংশই আইভরি কোস্টে
 দুনিয়াজুড়ে কোকোয়া বিন, কোকোয়া বাটার ও কোকোয়া পাউডারের বাজার বেশ বড়
 কোকোয়া বিন মূলত তিন ধরনের—ফোরাস্তেরো, ক্রিলো ও ত্রিনিতারিও
 ফলের দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ৭ থেকে ৭ দশমিক ৯ ইঞ্চি; মিষ্টি ও শ্লেষ্মাযুক্ত মজ্জা ঘিরে রাখে শূন্য দশমিক ৭৯ থেকে ১ দশমিক ১৮ ইঞ্চি পুরুত্বের রুক্ষ ও চর্মসদৃশ খোসা
 সুইডিশ উদ্ভিদবিদ কার্ল লিনাস একে ‘দেবতাদের খাবার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন
 শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী; সেরোটনিন ও ডোপামিনের নিঃসরণ ঘটিয়ে মস্তিষ্কে আরাম, উদ্দীপনা ও আনন্দের সংবেদন জাগ্রত করে
 ম্যাগনেশিয়াম, থিয়ানিন, থিওব্রোমিন সমৃদ্ধ; তাই উৎকণ্ঠা দূরীকরণ, মনোনিবেশ বৃদ্ধি এবং ঘুমের উন্নতি ঘটাতে সহায়ক
 রক্তনালি প্রসারণ, রক্তচাপ ভারসাম্যপূর্ণকরণ এবং রক্ত প্রবাহের উন্নতি সাধনে কার্যকরী
 ব্যাড কোলেস্টেরল কমানো এবং গুড কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতে উপকারী।
পুষ্টিগুণ (১০০ গ্রামপ্রতি)
 ক্যালরি: ২২৮ কিলোক্যালরি
 টোটাল ফ্যাট: ১৪ গ্রাম
 স্যাচুরেটেড ফ্যাট: ৮.১ গ্রাম
 সোডিয়াম: ১৮ মিলিগ্রাম
 কার্বোহাইড্রেট: ৫৮ গ্রাম
 ডায়েটারি ফাইবার: ৩৩ গ্রাম
 সুগার: ১.৫ গ্রাম
 প্রোটিন: ২০ গ্রাম
 আয়রন: ১৩.৩ মিলিগ্রাম
 ম্যাগনেশিয়াম: ৪৯৯ মিলিগ্রাম
 ফসফরাস: ৭৩৪ মিলিগ্রাম
 পটাশিয়াম: ১৫২৪ মিলিগ্রাম
 জিংক: ৬.৮ মিলিগ্রাম
 ক্যালসিয়াম: ১২৮ মিলিগ্রাম
 থিওব্রোমিন: ২০৫৭ মিলিগ্রাম।

 ফুড ডেস্ক
ছবি: ইন্টারনেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back To Top