skip to Main Content

ফ্যাশন বিট

নিবেদিতার দ্বিতীয় আসর

নারী উন্নয়ন সংস্থা নিবেদিতার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা নাইট মার্কেটের দ্বিতীয় আসর। রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারের ব্যাংকুয়েট হলে। ৫-৭ মার্চ। বেলা ২টা থেকে রাত ৩টা, অর্থাৎ সাহরী পর্যন্ত। আয়োজনে ঈদ শপিং সংস্কৃতির আদ্যোপান্ত নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শতাধিক নারী উদ্যোক্তা। দ্য মসলিন, মডেস্ট অ্যাটায়ার বাই জাহান, পুটলি, ব্ল্যাকিন, টেইলস অব বাংলাদেশ, স্লিকচিক, ব্লাশ বাই আরিশা, ইবাদাহ্, লা রোসা লাইফস্টাইল, রুহানি ছাড়াও ছিল বেশ কয়েকটি সুপরিচিত ফ্যাশন ব্র্যান্ড। ছিল স্কিন কেয়ার, জুয়েলারি, হোম ডেকর ইত্যাদি লাইফস্টাইল পণ্য। ফুড সেগমেন্টে ছিল চা টাইম, শরমা দামাস্কো, চাওয়ালী, রানচা এবং ওয়াফেল আপ। ছিল ঘরোয়া খাবারের আয়োজন। আয়োজনে সঙ্গে ছিল ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক। মিডিয়া পার্টনার ক্যানভাস।

ঢাকা ফ্যাশন ফেস্ট-রামাদান নাইট মার্কেট

মাল্টিব্র্যান্ড প্ল্যাটফর্ম গোদেশী এবং পানাশ ইভেন্টসের উদ্যোগে আয়োজিত হলো ভিন্নধর্মী ঈদের বাজার। ঢাকা ফ্যাশন ফেস্ট-রামাদান নাইট মার্কেট ২০২৬। ৬ ও ৭ মার্চ। ঈদ আয়োজনে আলোকিত হয়ে উঠেছিল বনানী ১৯/এ রোডের সি ব্লক। বসেছিল স্ট্রিট মার্কেট। রাস্তার পাশে ছোট ছোট টেন্টে দেশে তৈরি নিজস্ব নকশার পোশাক ও অনুষঙ্গের নান্দনিক সব সংগ্রহ সাজিয়েছিলেন উদ্যোক্তারা। ফ্যাশন হাউসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পণ্য উপস্থাপন করেছে ফ্রেন্ডশিপ কালারস অব দ্য চরস, জেন্টলম্যান’স ওয়ারড্রোব, সোমালীসিয়াস এবং মুন’স। বেশ কয়েকটি লাইফস্টাইল এবং ফুড ব্র্যান্ড ছিল মেলায়। ডিসপ্লে করা হয়েছে গাড়িও। বেলা ২টা থেকে ছিল মেলায় ঘুরে দেখার সুযোগ; চলেছে সাহরী অব্দি। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার শাহ্রুখ আমীন ও চমন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির ডিরেক্টর শামস্ আবদুল্লাহ মুহাইমিন। বনানী সোসাইটি ছিল মেলার স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার। ম্যাগাজিন পার্টনার ক্যানভাস।

ডিজাইন ইন বাংলাদেশ উইক

ডিজাইন ইন বাংলাদেশের উদ্যোগ। দেশের সৃজনশীল শিল্পকে নতুনভাবে সামনে আনা। ২৮ ফেব্রুয়ারি, গুলশান-১-এর ইউনিমার্ট অ্যাভিনিউতে আয়োজিত হয় উদ্বোধনী আসর। উপস্থিত ছিলেন ডিজাইন ও ফ্যাশন অঙ্গনের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা। অংশ নেন শিল্প বিশেষজ্ঞ, সিনিয়র ও তরুণ ডিজাইনার, ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠাতা, নির্মাতা ও সৃজনশীল চিন্তাবিদরা। আলোচনায় উঠে আসে বাংলাদেশকে শুধু বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে নয়; একটি উদীয়মান সৃজনশীল নেতৃত্বের কেন্দ্র হিসেবেও প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজনীয়তা। ইউনিমার্ট অ্যাভিনিউর রিটেইল পরিবেশে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর পণ্য উপস্থাপন, ভিজ্যুয়াল মার্চেন্ডাইজিং ও ব্র্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়েও পর্যবেক্ষণ ও আলোচনা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back To Top