হরাইজন
লন্ডন ফ্যাশন উইক
১৯-২৩ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসেছিল লন্ডন ফ্যাশন উইকের এ বছরের প্রথম আসর। সপ্তাহজুড়ে আয়োজিত হয়েছে মোট ৪১টি ফ্যাশন শো। আয়োজনে মিনিমালিজমের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল ম্যাক্সিমালিজম। প্রিয় রংগুলোর চমৎকার ব্যবহার দেখেছেন উপস্থিত দর্শকেরা। ব্রাউন, বেইজ, নীল, সবুজ, ছাইয়ের মতো আর্দি শেডগুলোর দেখা মিলেছে। ঠিক যেন লন্ডনের রং। মিউটেড। ছিল ফ্লুইড টেক্সচার, কালচারাল স্টোরিটেলিং আর ডার্ক রোমান্স। ডলশে অ্যান্ড গ্যাবানা, জোসেফ, চেট লো, জন রিচমন্ড, মালবেরি, আলুআলিয়া, মার্কেস আলমেইডা, হ্যারিস রিড, বারবারির পাশাপাশি ফল এবং উইন্টার কালেকশন উপস্থাপন করেছে উঠতি অনেক নতুন ব্র্যান্ড ও ডিজাইনার। তেমনই এক জেন-জি প্রজন্মের ডিজাইনার টলু কোকারের শোতে উপস্থিত হয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজা চার্লস। রানওয়ে থেকে দর্শক সারি—সর্বত্র ছড়িয়ে ছিল নাটকীয়তা।
নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক
উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল নিউইয়র্কের ম্যানহাটান শহর। কারণ, ১১-১৬ ফেব্রুয়ারি সেখানে বসেছিল নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকের চলতি বছরের প্রথম আসর। যেখানে কোচ, টোরি বার্চ, মাইকেল করসের মতো পুরোনো ও জনপ্রিয় ডিজাইনার ব্র্যান্ড তো ছিলই, সঙ্গে স্পটলাইট পেয়েছে নতুনেরাও। এ বছরের বসন্ত ও শীতকালীন পোশাক সংগ্রহে গুরুত্ব পেয়েছে ওয়াইড শোল্ডার। দেখা গেছে প্রিন্টস ও প্যাটার্ন। নজর কেড়েছে অ্যানিমেল, ফ্লোরালস এবং পোলকা ডট প্রিন্টস। ছিল নানা রং ও শেডের ছড়াছড়ি। ৫২টি রানওয়ে শো এবং ৪৬টি প্রেজেন্টেশন মিলিয়ে মোট ৯৮টি আয়োজন ছিল উৎসবটির। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে আয়োজিত হবে নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকের দ্বিতীয় আসর। দেখা যাবে স্প্রিং-সামার কালেকশন।
মিলান ফ্যাশন উইক
ইতালির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মিলান। উত্তর ইতালির ল্যাম্বার্ডি অঞ্চলের রাজধানী এই শহরকে বলা হয় বৈশ্বিক ফ্যাশনের হাব। কারণ, শহরজুড়ে রয়েছে ফ্যাশনিস্তাদের আনাগোনা। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ আয়োজিত হয়েছে এ বছরের মিলান ফ্যাশন উইক। সপ্তাহজুড়ে চলা ফ্যাশন শোতে অংশ নেয় শতাধিক লোকাল ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো প্রাডা, গুচি, ফেন্ডি, ম্যাক্স মারা, এম্পরিও আরমানি, মারনি ও স্পোর্টম্যাক্স। ফল-উইন্টার পোশাকে পূর্ণ ছিল সংগ্রহ, আর প্রতিটি কিউতে চমক। দেখা গেছে গ্লিটারি ফেস, লো পনিটেইল, স্মোকি আই, গথ লিপস, ক্লোল্ড ব্লাশ, অলওভার শ্যাডো, স্পাইকি পিক্সি।
ফ্যাশন ডেস্ক
ছবি: সংগ্রহ
